[মান – ৫] শৈলী বিজ্ঞান সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

সংজ্ঞা : কোনো লেখকের লেখার শৈলীর ভাষা-বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণকে শৈলী ভাষাবিজ্ঞান বা stylistics বলে। সাধারণত ভাষার উপকরণ যেমন ধ্বনি, শব্দ, বাক্য ইত্যাদির প্রয়োগ বিন্যাসের নীতি নির্দেশ আলোচিত হয়, তা শৈলীবিজ্ঞান। লেখকভেদে শৈলীর বিভিন্নতা লক্ষ করা যায়।

শৈলীবিজ্ঞানের বৈশিষ্ট্য : শৈলীবিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলি হল—

ক. শৈলীবিজ্ঞানের নিরিখ হলো প্রয়োগ নির্ভর অর্থাৎ কোনো সাহিত্যিকের পাঠ্যবস্তুর প্রয়োগ রীতি এবং কৌশলই শৈলীবিজ্ঞানে একমাত্র বিবেচ্য।

খ. শৈলীবিজ্ঞানের দিক থেকে লেখকের লিখন শৈলীর বিচার হল নৈর্ব্যক্তিক বিচার।

গ. প্রথাগতভাবে শৈলীবিজ্ঞানকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা—মূল্যায়নভিত্তিক এবং বর্ণনামূলক।

ঘ. বহুবিন্যাসের সম্ভাবনার মধ্যে থেকে একটি সম্ভাবনাকেই বেছে নেওয়া হল শৈলীবিজ্ঞানের গোড়ার কথা।

ঙ. শৈলী বিচার করার ক্ষেত্রে পাঁচটি প্রকরণ বা টুল ব্যবহৃত হয়। যথা—প্রমুখন, বিচ্যুতি, সমান্তরালতা, কোডবদল এবং বহুস্বরতা। 

error: সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত