নব্য ভারতীয় আর্যভাষার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। অথবা, নব্য ভারতীয় আর্যভাষার সময়সীমা উল্লেখ করে স্তরটি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

[উ] মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার শেষ স্তর হল অর্বাচীন অপভ্রংশ। অপভ্রংশ থেকে অবহট্‌ঠ হয়ে একাধিক নব্য ভারতীয় আর্যভাষার জন্ম হয়েছে। নব্য ভারতীয় আর্যভাষার সময়সীমা হচ্ছে খ্রিস্টীয় নবম/দশম শতাব্দী থেকে আধুনিক কাল (বর্তমান কাল) পর্যন্ত।

শ্রেণিবিভাগ—ভাষাতত্ত্ববিদগণ নব্য ভারতীয় আর্যভাষার শ্রেণিবিভাগ বিভিন্নভাবে করেছেন। জন্ম-উৎসগত বা ঐতিহাসিক বর্গীকরণ, ভৌগোলিক বর্গীকরণ।

জন্ম-উৎসগত বা ঐতিহাসিক বর্গীকরণ—(ক) পৈশাচী গোষ্ঠী, (খ) মাহারাষ্ট্রী গোষ্ঠী, (গ) শৌরসেনী গোষ্ঠী, (ঘ) অর্ধমাগধী গোষ্ঠী, (ঙ) মাগধী গোষ্ঠী।

ভৌগোলিক বর্গীকরণ—ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অনুসরণে নব্য ভারতীয় আর্যভাষাগুলিকে ছয় ভাগে ভৌগোলিক বর্গীকরণ করা হয়েছে। যেমন, (ক) উত্তর-পশ্চিমা (উদীচ্য), (খ) মধ্যদেশীয়, (গ) প্রাচ্য : বাংলা, ওড়িয়া, অসমিয়া, মৈথিলি, ভোজপুরি। (ঘ) উত্তরা/হিমালয়ী : নেপালি। (ঙ) প্রাচ্য-মধ্য : অবধী, বাঘেলি, ছত্তিশগড়ী। (চ) দাক্ষিণাত্য: মারাঠি ও কোঙ্কনী।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা
error: সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত