‘বাসস্তিকস্বপ্নম্’ অবলম্বনে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথন সংক্ষেপে আলোচনা করো।

[] কৃষ্ণমাচার্য বিরচিত ‘বাসস্তিকস্বপ্নম্’-এর প্রথমাঙ্কে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও তাঁর প্রণয়ী কনকলেখার কথোপকথন রয়েছে।

[] কথোপকথন—রাজা ইন্দ্রবর্মার সঙ্গে কনকলেখার আর চারদিন পরে বিবাহ সম্পন্ন হবে। তাঁরা দুজনে এ বিষয়ে কথাবার্তা বলছেন। রাজা ইন্দ্রবর্মার আর ধৈর্য ধরে না। বসন্তের কোকিলের ডাক শুনতে আর বেশি সময় নেই, চাঁদও রাজার মনে প্রভাব বিস্তার করছে নির্দয়ের মতো –“শশাঙ্কঃ তু অতিনিঘৃণঃ।” মাঝখানের এই চারদিন যেন কৃষ্ণপক্ষের ক্ষয় হওয়া চাঁদের মতো অতি ধীরে বিদায় নিচ্ছে।

তাঁদের বিবাহকে উদ্দেশ্য করে সেও খুব উৎসুক। রাজা এই চারটি দিন কীভাবে কাটাবেন ভেবে পাচ্ছেন না। কারণ তাঁর কাছে একদণ্ড কাল যেন বহু যুগ বলে মনে হচ্ছে। তখন কনকলেখা রাজাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলছেন যে, চারটি দিন প্রায় চারটি রাত্রি হয়ে ক্ষণকালের মধ্যে দেখতে দেখতে শীঘ্রই কেটে যাবে। যে রাত্রিতে দুজনের পরিণয় মহোৎসব হবে, তা শীঘ্র এসে যাবে। অতএব তাঁর কষ্ট পাওয়ার প্রয়োজন নেই।

[] এইভাবে রাজা ইন্দ্রবর্মা ও কনকলেখার কথোপকথনের মাধ্যমে নাট্যকার উভয়ের প্রেম-মিলনের মধুর দিক তুলে ধরেছেন।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা
error: সর্বস্বত্ত্ব সংরক্ষিত